তুমি কি কখনও
দেখছ,
হিমেল বাতাসে দোল
খাওয়া
জলের
ঢেউখেলা,
বৃক্ষের মগডালের
আড়ালে
রোদের
লুকোচুরি
খেলা,
ব্যাস্ত নগরীর
চলন্ত
পথের
বিচিত্র
সব
মানুষ,
সারি সারি পড়ে
থাকা
কংক্রিটের
জঙ্গল,
উদ্বাস্তু দুটি
শিশুর
আবর্জনার
ঝগড়া,
ডাষ্টবিনে পড়ে
থাকা
পঁচা-বাসি
কদন্নের
তৃপ্তির
আহার,
লাশের উপর নৃত্যের সে কি বেদনাদায়ক দৃশ্য!
তুমি কি কখনও
দেখছ,
আদরিণী নন্দিনীর প্রলুব্ধ
মনের
বেসামাল
চাওয়া,
সঙ্গীহারা কপোতিনীর
নিঃশব্দ
কান্না,
বিদায়বেলা চঞ্চল
বোনের
স্নেহবিজড়িত
করুণ
অশ্রু,
ফসলের মাঠে কৃষকের উচ্ছ্বসিত
মধুর
হাসি,
দুঃখদুর্দশার প্রতি
ভ্রুক্ষেপশূণ্য
হৃদয়হীন
নির্দয়
ব্যাক্তি,
তরুণের কাঁচা বাঁশে
ঘুণে
ধরা
স্বভাব,
অন্তঃসারশূন্য মানুষের
লোক
দেখানো
হাসি,
কুঁচো কুকুরের কুঁইকুঁই
ডাকে
সৃষ্ট
চাপা
আর্তনাদ
এবং
কুমুদ শোভিত বিলে
কুমার
বালক
আর
কুমারী
বালিকার
ভালোবাসা।

