Pages

Monday, 28 October 2013

তুমি কি কখনও দেখছ

তুমি কি কখনও দেখছ,
হিমেল বাতাসে দোল খাওয়া জলের ঢেউখেলা,
বৃক্ষের মগডালের আড়ালে রোদের লুকোচুরি খেলা,
ব্যাস্ত নগরীর চলন্ত পথের বিচিত্র সব মানুষ,
সারি সারি পড়ে থাকা কংক্রিটের জঙ্গল,
উদ্বাস্তু দুটি শিশুর আবর্জনার ঝগড়া,
ডাষ্টবিনে পড়ে থাকা পঁচা-বাসি কদন্নের তৃপ্তির আহার,
লাশের উপর নৃত্যের সে কি বেদনাদায়ক দৃশ্য!
তুমি কি কখনও দেখছ,
আদরিণী নন্দিনীর প্রলুব্ধ মনের বেসামাল চাওয়া,
সঙ্গীহারা কপোতিনীর নিঃশব্দ কান্না,
বিদায়বেলা চঞ্চল বোনের স্নেহবিজড়িত করুণ অশ্রু,
ফসলের মাঠে  কৃষকের উচ্ছ্বসিত মধুর হাসি,
দুঃখদুর্দশার প্রতি ভ্রুক্ষেপশূণ্য হৃদয়হীন নির্দয় ব্যাক্তি,
তরুণের কাঁচা বাঁশে ঘুণে ধরা স্বভাব,
অন্তঃসারশূন্য মানুষের লোক দেখানো হাসি,
কুঁচো কুকুরের কুঁইকুঁই ডাকে সৃষ্ট চাপা আর্তনাদ এবং

কুমুদ শোভিত বিলে কুমার বালক আর কুমারী বালিকার ভালোবাসা।

Monday, 21 October 2013

আবৃত রজনী


আবৃত রজনীর অন্তরালে জোছনার দুষ্পাপ্য প্রচ্ছন্ন খেলা,
চাঁদের আলোকসুন্দর প্রফুল্ল হাসিতে,
অন্তহীন পথের চঞ্চল পথিকেরা আশার আলো দেখে,
সন্ধ্যা বেলার অষ্টাদশীর অশ্রুপ্লাবিত নয়ন যেন সঠিক পথের দিশা পায়,
যেন অসময়ের বেসামাল অপক্ব কলহ হয়ে উঠে অনন্যসাধারণ,
কখনওবা হেসে উঠে চোখের পাতা,আঁচড়ানো কেশ কিংবা রমণীর আঁচল।
আবৃত রজনীর  আড়ম্বর আতিথ্যে
উন্মক্ত হৃদয়ে বিনম্রে প্রার্থনা করি প্রভু,

চূর্ণিত করে সকল শান শওকত ফুলের নির্যাস হতে চাই।

Sunday, 13 October 2013

স্বপ্নের আলপনায় সুখের প্রদীপ



একদিকে নদীর কলধ্বনি,আর অন্যদিকে  প্রাণ ছুঁয়ে যাওয়া হিমেল বাতাস
কখনওবা  পূর্ণিমার আলোকিত রাতে  সূর্যের হাসির মত উচ্ছলতা
কখনও ভাল লাগে ধ্রবতারার মত জ্বলজ্বল করা  ক্ষেতের সোনালী ফসল
আর সবুজ ঘাসে পড়ে থাকা শান্ত শিশির।
কখনও ভাল লাগে এক ফোঁটা শীতল বৃষ্টির নীরব কান্না আর মলিন সূর্যাস্ত।
বিরামহীন  শ্রাবণের কান্নায় আমি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাই,ভুলে যাই প্রতিদিনের শূণ্যতার সব স্মৃতি 
আমি হারিয়ে যেতে চাই  উচ্ছল ঝর্নার মাঝে নয়তবা ঘুড়ির মত নীল আকাশে
আমার ভাল লাগে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর,
ঘৃণা করি তাকে যে বসে থাকে নিশ্চুপ হয়ে অন্ধকারের চিলেকোঠায় 
আমার ভাল লাগে সীমাহীন ভালবাসার আকাশ হয়ে বিধাতার নাম জপতে,
লাল সবুজের পতাকার তরে স্বপ্নের আলপনা এঁকে সুখের প্রদীপ  জ্বালাতে।